Menu

সর্ব শেষ

জাতীয়

আন্তর্জাতিক

ক্রীড়া

শিক্ষাঙ্গন

স্বাস্থ্য

Recent Posts

লিভার নষ্ট হবার ১০টি কারণ

Tuesday, June 28, 2016 / No Comments
১) রাতে খুব দেরিতে ঘুমাতে যাওয়া ও সকালে দেরি করে ঘুম থেকে ওঠা ।

২) সকালে মূত্রত্যাগ ও পর্যাপ্ত পানি পান না করা ।

৩) অতিরিক্ত খাবার খাওয়া ।

৪) সকালে নাস্তা না করা ।

৫) মাত্রাতিরিক্ত ওষুধ সেবন করা ।

৬) প্রিজারভেটিভ, ফুড কালার ওখাবার মিষ্টি করতে কৃত্রিম সুইটেনার ব্যবহার করা খাবার বেশি খাওয়া ।

৭) রান্নায় অস্বাস্থ্যকর তেল ব্যবহার করা ।

৮) ভাজা-পোড়া জাতীয় খাবার খাওয়া ও ভাজার সময় অতিরিক্ত তেল ব্যবহার করা ।

৯) মাত্রাতিরিক্ত যে কোন কিছুই ক্ষতিকর । খুব বেশি পরিমাণে কাঁচা খাদ্য খাওয়ার অভ্যাসও লিভারের ওপর চাপ সৃষ্টি করে ।

১০) অ্যালকোহল বা মদ/বিয়ার, সেবন করা ।

অসাধারণ ১৫ টি টিপস, দেরী না করে দেখে নিন

/ No Comments
১. ঠোটেঁ কালো ছোপ পড়লে কাঁচা দুধে তুলো ভিজিয়ে ঠোটেঁ মুছবেন। এটি নিয়মিত করলে ঠোটেঁর কালো দাগ উঠে যাবে।

২. টমেটোর রস ও দুধ একসঙ্গ মিশিয়ে মুখে লাগালে রোদে জ্বলা বাব কমে যাবে।

৩. হাড়িঁ-বাসন ধোয়ার পরে হাত খুব রুক্ষ হয়ে যায়। এজন্য বাসন মাজার পরে দুধে কয়েক ফোঁটা লেবু মিশিয়ে হাতে লাগান। এতে আপনার হাত মোলায়েম হবে।

৪. কনুইতে কালো ছোপ দূর করতে লেবুর খোসায় টিনি দিয়ে ভালো করে ঘষে নিন। এতে দাগ চলে গিয়ে কনুই নরম হবে।

৫. মুখের ব্রণ আপনার সুন্দর্য নষ্ট করে। এক্ষেত্রে রসুনের কোয়া ঘষে নিন ব্রণের উপর। ব্রণ তাড়াতাড়ি মিলিয়ে যাবে।

৬. লিগমেন্টেশন বা কালো দাগ থেকে মু্ক্তি পেতে আলু, লেবু ও শসার রস এক সঙ্গে মিশিয়ে তাতে আধ চা চামচ গ্লিসারিন মিশিয়ে যেখানে দাগ পড়েছে সেখানকার ত্বকে লাগান।

৭. চুল পড়া বন্ধ করতে মাথায় আমলা, শিকাকাই যুক্ত তেল লাগান।

৮. তৈলাক্ত ত্বকে ঘাম জমে মুখ কালো দেখায়। এক্ষেত্রে ওটমিল ও লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে রাখবেন আধা ঘন্টা। আধা ঘন্টা পর ঠান্ডা পানিতে মুখ ধুয়ে নিন।

৯. যাদের হাত খুব ঘামে তারা এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে লাউয়ের খোসা হাতে লাগিয়ে রাখুন কিছুক্ষণ।

১০. পায়ের গোড়ালি ফাটলে পেঁয়াজ বেটে প্রলেপ দিন এ জায়গায়।

১১. ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধির জন্য প্রতিদিন ১৫ গ্রাম করে মেৌরি চিবিয়ে খান। খুব কম সময়ে রক্ত শুদ্ধ হয়ে ত্বক উজ্জ্বল হয়ে উঠবে।

১২. মুখে কোন র্যাশ বের হলে অড়হর ডাল বাটা পেষ্ট লাগান র্যাশের উপর। কিছুক্ষণ রেখে ধুয়ে ফেলুন। দাগ থাকবেনা।

১৩. পিঠের কালো ছোপ তুলতে ময়দা ও দুধ এক সঙ্গে মিশিয়ে পিঠে দশ মিনিট ধরে ঘষবেন। এটা নিয়মিত করলে পিঠের ছোপ উঠে যায়।

১৪. মুখের তাৎক্ষনিক লাবণ্য আনতে একটা ভেষজ রুপটান আছে। আধা চা চামুচ লেবুর রস, এক চা চামচ মধুর সঙ্গে মিশিয়ে মুখে ও গলায় লাগান। পনের মিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটা আপনার মুখকে আদ্র রাখবে।

১৫. হাত পায়ের সৌন্দয্য অক্ষুন্ন রাখতে হাতে ও পায়ে আপেলের খোসা ঘষে নিন। এতে হাত ও পা অনেক বেশী ফর্সা দেখাবে।

মহাকাশ স্টেশন বানাচ্ছে বেজিং! সমুদ্রগর্ভে এ বার চিনের প্রাচীর

/ No Comments
দক্ষিণ চিন সাগরের তলায় আরও একটা ‘গ্রেট ওয়াল অফ চায়না’ বা চিনের প্রাচীর বানাচ্ছে বেজিং। বানানো হচ্ছে ভূপৃষ্ঠ থেকে ৩৭০ কিলোমিটার ওপরে থাকা আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন (আইএসএস)-এর ধাঁচে বানানো আরও একটি ‘মহাকাশ স্টেশন’- সমুদ্রের তলায়! দক্ষিণ চিন সাগরের তলার সেই ‘মহাকাশ স্টেশনে’ও থাকবেন, যাওয়া-আসা করবেন ‘মহাকাশচারী’রা! থুড়ি ‘জলচর’ মানুষরা!

ক্যানসার আক্রান্ত ছেলেকে সান্ত্বনা দিতে বাবার অভিনব ট্যাটু

/ No Comments
আট বছরের গ্যাব্রিয়েলের ব্রেন টিউমার হয়েছিল। তার অস্ত্রোপচার করা হয়। ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠতেই গ্যাব্রিয়েলের চোখ চলে যায় তার মাথার ডান পাশে কাটা দাগের দিকে।

ন্যাড়া মাথা, তার উপর ‘অশ্বক্ষুরাকৃতি হ্রদ’ এর মতো গভীর কাটা দাগ দেখে মনমরা হয়ে গিয়েছিল ছোট্ট গ্যাব্রিয়েল। গ্যাব্রিয়েলের বাবা জশ মার্শাল জানান, ওই দাগটা দেখে অতিরিক্ত সচেতনতা বোধ কাজ করছিল তাঁর ছেলের মধ্যে।

তাকে ‘মনস্টার’-এর মতো দেখতে লাগছে, এই কথাটাই বার বার তাকে বলেছিল ছোট্ট গ্র্যাব্রিয়েল। জশ বলেন, ‘ছেলের এই ধারণা দূর করতে একটা উপায় বের করে ফেললাম।’

সেই উপায়টাও কিন্তু ছিল অসাধারণ। নিজের মাথার কাটা দাগ দেখে গ্যাব্রিয়েল যাতে হীনমন্যতায় না ভোগে, মাথার ডান পাশে ঠিক সেই কাটা দাগের মতো দেখতে একটি ট্যাটু করান জশ।

তারপর ছেলেকে তিনি বলেন, ‘যদি তোমার ওই কাটা দাগের দিকে লোকে তাকায়, তা হলে তারা আমার দিকেও তাকাবে। তখন তোমার আর নিজেকে মনস্টার বলে মনে হবে না।’ ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে একটি ছবিও তোলেন জশ। সেই ছবি ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করার পরই ভাইরাল হয়ে যায়।

রোজা রাখলে যে ৪ টি প্রধান উপকার পাবেন

/ No Comments
পবিত্র মাহে রমজান মহান আল্লাহ রাব্বুল আল-আমীনের এক অপূর্ব নিয়ামত। রোজা শুধু পাপমুক্তি ও মহান আল্লাহর সান্নিধ্যে আসার মাধ্যম নয়, রোজাদারগণের রয়েছে নানা ধরনের স্বাস্থ্যকর উপকারিতা বা হেলথ বেনিফিট। এ ব্যাপারে আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (স:) রোজা সম্পর্কে বলেছেন, ‘সোমোওয়া তাশহু’।

যার ইংরেজি অনুবাদ করা হয়েছে ‘ফাস্ট এন্ড বি হেলদি’ অর্থ্যাত্ রোজা থাকলে স্বাস্থ্য থাকে ভাল। আর এর অর্থ অনেক গভীরে। অর্থ্যাত্ এখানে বুঝানো হয়েছে রোজা হচ্ছে সুস্থ থাকার নিয়ামক। এমনকি গবেষকগণ নানা গবেষণায় দেখেছেন রোজার নানা ধরনের স্বাস্থ্যকর দিক রয়েছে। এ ব্যাপারে ‘ইন্টারন্যাশনাল কংগ্রেস অন হেলথ এন্ড রামাদান’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে রোজার স্বাস্থ্যকর দিক নিয়ে অন্তত: ৫০টি নিবন্ধ উপস্থাপন করা হয়।

তবে ইসলামিক বিশেষজ্ঞগণ মনে করেন যে সব অসুস্থতায় রোজা পালন থেকে বিরত থাকার বিধান রয়েছে এসব ক্ষেত্র ছাড়া রোজা থাকলে উপকারিতা অধিক। রোজার যে চারটি প্রধান উপকারিতার কথা বলা হয়েছে তা হচ্ছে, মন ও হৃদয়ের পরিশুদ্ধতা, রক্তের চর্বির পরিমাণ হ্রাস, মাদকাসক্তি থেকে দূরে থাকা এবং অতিরিক্ত ওজন হ্রাস। আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (স.) আজ থেকে প্রায় দেড় হাজার বছর পূর্বে রোজার যে হেলথ বেনিফিট সম্পর্কে যা বলে গেছেন আজকের বিজ্ঞান তার নিরঙ্কুুশ সত্যতা খুঁজে পাচ্ছে।

এনালস অব নিউট্রিশন জার্নালে প্রকাশিত এক নিবন্ধে উল্লেখ করা হয়েছে, রোজাদারগণ বেশীরভাগ ক্ষেত্রে সাধারণত: বাসায় প্রস্তুত হেলদি ও পুষ্টিকর খাবার আহার করেন। এতে থাকে খেজুর, বাদাম, ছোলা, স্যুপসহ অন্যান্য উপাদেয় খাবার। গবেষণায় প্রতীয়মান হয়েছে রোজাদারগণের এলডিএল বা খারাপ কোলেস্টেরল শতকরা ৮ ভাগ, রক্তের ভাসমান চর্বি বা ট্রাইগ্লিসারাইডের পরিমাণ শতকরা ৩০ ভাগ হ্রাস পায়। শুধু তাই নয়, রোজা থাকলে রক্তের ভালো কোলেস্টেরল বা এইচডিএল এর পরিমাণ শতকরা ১৪ দশমিক ৪ ভাগ বৃদ্ধি পায়। ফলে অন্যান্য সময়ের চেয়ে রোজাদারগণের হার্ট এ্যাটাক ও হূদরোগের ঝুঁকি অপেক্ষাকৃত কম থাকে।

যে কারণে লাইলীকে পায়নি মজনু?

/ No Comments
কালজয়ী প্রেমকাহিনী লায়লি-মজনু। অসাধারণ এই প্রেমকাহিনীর আছে অসংখ্য সংস্করণ। তবে মূল কাহিনী প্রায় সব জায়গাতেই এক। ভিন্নতা শুধু কাহিনীর উপাদানে। কাহিনীর সব সংস্করণেই নায়ক-নায়িকার মাঝে দুস্তর ফারাক। এবং বেশির ভাগ কাহিনীতে নায়ক রাজপুত্র এবং কবি নায়িকা এক বেদুইন সর্দারের মেয়ে। আর লক্ষ্য করার মতো বিষয়টি হচ্ছে, মজনু তার ‘মজনু’ নামে যুগে যুগে দুনিয়াজুড়ে আলোচিত হলেও অনেক ইতিহাসবিদ মনে করেন ‘মজনু’ তার আসল নাম নয়। কয়েস (কায়েস) বিন ওমর নামের প্রাচীন আরবের বিখ্যাত এক কবি তিনি। তার জীবনের প্রেমকাহিনীর ছায়া থেকেই এর জন্ম। যাই হোক, লায়লির প্রেমে উন্মাদ হয়েছিলেন বলেই তার আরেক নাম মজনু (মজনু বা মাজনুন নামের অর্থটাও কিন্তু তাই- প্রেমন্মাদ।) এমনকি নির্ভরযোগ্য বেশ কিছু সংস্করণে নায়কের নাম ‘কয়েস’ই রাখা হয়েছে।

সংক্ষেপে লায়লি-মজনুর কাহিনী এ রকম- ছেলে কয়েসকে নিয়ে একটি সরাইখানায় আশ্রয় নিয়েছিলেন আল বাহরামের রাজ্যচ্যুত সুলতান অমর-বিন-আব্দুল্লাহ। সে সময় কয়েসের মন দেওয়া-নেওয়া হয় সর্দার আল মাহদির কন্যা লায়লির সঙ্গে। কয়েসের সব কবিতাই ছিল তার প্রাণপ্রিয় লায়লিকে নিয়ে। সুযোগ পেলেই সে কবিতা শোনাতে ভুলত না প্রিয়তমাকে। লায়লির ছিল মাত্রাতিরিক্ত পশুপ্রেম। লায়লির পোষা কুকুরটির নাম ছিল ‘ওজজা’। জিন্দান নামের আদরের একটি হরিণও ছিল লায়লির। অচিরেই কয়েস- লায়লির প্রেমের পথে কাঁটা হয়ে দাঁড়ায় বুরিদানের বদমাশ বাদশা নওফেল।

শিকারী নওফেলের তীরবিদ্ধ হয়ে মারা যায় জিন্দান। শোকে মুহ্যমান লায়লি অভিশাপ দেয় অবিবেচক নওফেলকে। এভাবেই নওফেল প্রথম দেখে লায়লিকে এবং মরিয়া হয়ে ওঠে অসামান্য রূপসী লায়লিকে পাওয়ার জন্য। শাহজাদা কয়েস আর লায়লির বিয়ের সব আয়োজন যখন সু-সম্পন্ন, দরবার কক্ষে যখন বসেছে শাদির মাহফিল তখন কোথা থেকে ছুটে আসে লায়লির প্রিয় কুকুর ওজজা। প্রেয়সি লায়লির জন্য ব্যাকুল কয়েস বাহ্যজ্ঞান হারিয়ে ‘এই মুখে তুই লায়লির পদচুম্বন করেছিস’ বলে চুমু খেয়ে বসে ওজজার মুখে। সঙ্গে সঙ্গে চারদিকে ছিঃ ছিঃ পড়ে যায়। সবাই বলতে থাকে শেষ পর্যন্ত বিয়ের আসরে বসে কুকুরের মুখে চুমু।

এ যে বন্ধ পাগল! এ ঘটনায় বেঁকে বসেন বাদশা স্বয়ং। ফলে বিয়ে ভেঙে যায়। তখন বাধ্য হয়ে শাদির মাহফিল থেকে ফিরতি পথ ধরে অপমানিত কয়েস। উপায় না দেখে সওদাগর আল মাহদি রাজি হয়ে যান কুচক্রী নওফেলের সঙ্গে লায়লির বিয়ে দিতে। এদিকে ভগ্ন হৃদয় কয়েস নিরুদ্দেশ হয়ে যায় মরুভূমিতে। ফুলশয্যার দিনে অবিশ্বাস্যভাবে ফলে যায় লায়লির দেওয়া অভিশাপ। নিজের হাতে পান করা শরবতের বিষক্রিয়ায় মারা যায় নওফেল। কুকুর ওজজাকে নিয়ে অন্ধকার রাতে পালিয়ে যায় লায়লি। প্রিয়তম কয়েসের ডাক ভেবে মরীচিকার পেছনে হন্য হয়ে ছুটতে থাকে সে। রাতে মরুভূমির লু হাওয়া মরুঝড় সাইমুমে রূপ নেয়। পরদিন পথচলতি কাফেলা বালির স্তূপের নিচে আবিষ্কার করে লায়লি, কয়েস আর কুকুর ওজজার লাশ।

সেদিন বিয়ের আসরে লায়লি প্রেমে হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে কুকুরকে চুমু না খেলে এই প্রেমকাহিনীর ইতিহাস অন্যরকমও হতে পারত।

দেশের ভক্তদের সাথে একি করলেন মেসিরা!

/ No Comments
টানা দ্বিতীয়বারের মতো কোপা আমেরিকার ফাইনালে হেরে মঙ্গলবার দেশে ফিরেছে আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দল। শিরোপা জিততে না পারলেও প্রিয় তারকাদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়েছেন দেশটির ভক্ত-অনুরাগীরা।

১৯৯৩ সালে সর্বশেষ কোপা আমেরিকার শিরোপা জিতেছিলো আর্জেন্টিনা। এরপর প্রায় দুই যুগ কেটে গেলেও কোন শিরোপার দেখা পায়নি ম্যারাডোনার দেশটি। তবে ব্রাজিল বিশ্বকাপ এবং গতবার কোপা আমেরিকার ফাইনালে চিলির কাছে হার মানা মেসিরা আবারও ফাইনালে উঠে শিরোপা জয়ের আশা জাগিয়েছিলেন। কিন্তু এবারও সেই একই চিত্রনাট্য। পেনাল্টিতে পরাজয়।

আবারও চেনা প্রতিপক্ষ চিলির কাছে হারায় স্বপ্ন ভেঙ্গে খান খান হয়ে যায় আর্জেন্টিনার। এর সঙ্গে যোগ হয় দলের প্রিয় তারকা লিওনেল মেসির অবসরের দুঃসংবাদ। তবে চিলির কাছে হারলেও আলবিসেলেস্তেদের অভ্যর্থনা জানাতে বুয়েন্স আয়ার্সের এজেইজা বিমানবন্দরে অপেক্ষায় ছিল আগ্রহী সমর্থকরা। এ সময় সমর্থকরা প্ল্যাকার্ডে মেসিকে জাতীয় দল না ছাড়ার জন্য অনুরোধ জানান।

তবে, সমর্থকদের হতাশ করেন ফুটবলাররা। সমর্থকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় না করেই, বিমানবন্দর ত্যাগ করেন মেসি-অ্যাগুয়েরোরা। তাতেই সুস্পষ্ট যে, এমন পরাজয় দলের ফুটবলাররাও মেনে নিতে পারছেন না।